দেশে একটা কথা আছে কারো ঘর পোড়ে আর কেউ তাতে আলু পুড়িয়ে খায়। নৃশংসভাবে শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডে নিহতের মা-বাবার সাথে দেশবাসী ব্যাথিত-মমা'হত শোকাহত। হত্যাকারীর দ্রুত সর্বোচ্চ শাস্তিতে সবাই দাঁড়িয়েছে এক কাতারে। সরকারও নিশ্চিত করছে শাস্তি হবে সর্বোচ্চ এবং অতিদ্রুত। আফসোস সুবিধাবাদী রাজনৈতিক দলের নেতারা সেই শোকাবহ বেদনাদায়ক পরিস্থিতিতে শোকাহত মানুষের আবেগকে সদ্য প্রসুত গনতান্ত্রিকভাবে ভোটে নিবা'চীত সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতে চেষ্টা করছেন।নিবা'চনে পরাজিত হয়ে সরকার গঠনের আগেই তারা বলেছিল এই সরকারকে ক্ষমতায় একদিনও শান্তিতে থাকতে দেব না। দেখা যাচ্ছে তারা আজও সেই পণ পরিত্যাগ করে নাই।
মানুষের শোকাবহ আবেগকে কাজে লাগিয়ে চারিদিকে মব দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। সরকার প্রধান তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইন মন্ত্রীকে নিয়ে শোকাহত পরিবারের বাসায় তাদের সান্ত্বনা দিতে গেলে সেখানে মব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ভুয়া ভুয়া শোর তোলা হয়েছে তা ঠিক হয় নাই । তিন মাস বয়সী সরকারকে আমরা ব্যথ' বলার বোধকরি সময় আসে নাই।ঘটনার কয়েক ঘন্টার ভেতর আসামি পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে।এই ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যথ'তা কোথায় তার পদত্যাগের দাবি কেন? সংসদে তার বক্তব্যের সামনে বিরোধী নেতারা ধরাশায়ী কারণ কি তাই ? ভাবতে হবে সীমান্তে অস্থিরতা দেখা যাছে জাতীয় ঐক্যের এখন খুব বেশি প্রয়োজন। এমন সময় তিন মাস বয়সী সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ছলা-কলা কুটচালের আশ্রয় নিলে গনতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে বাধা গ্রস্ত করা হবে তাতে দেশের অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে ।
নেতারা যদি না বুঝেন, প্রত্যক দলে অনেক বড় বড় উকিল ব্যারিস্টার আছেন তাদের নিয়ে বসুন জানতে চান দেশের অপরাধীর বিচারের দীর্ঘ সুত্রিতার দায় কার? গলদ কোথায়? সবাইকে নিয়ে বসুন আলাপ আলোচনা করুন কিভাবে হত্যা ধষ'ণ, মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনকে যুগোপযোগী করা যায় অপরাধীকে অতিদ্রুত শাস্তির আওতায় আনা যায়।একেবারে ধংসপ্রায় শিক্ষাংগনে শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করে ছাত্রদের কিভাবে পড়ার টেবিলে ফেরানো যায় তার ব্যবস্থা করুন। জনগণ ভোট দিয়ে রাস্তায় নয় আপনাদের সংসদে পাঠিয়েছে সরকারের দোষ -ত্রুটির সমালোচনা করতে, অপরাধ একেবারে নিমু'ল করা যাবে না তবে নিয়ন্ত্রণ করার আইন করতে এবং তা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করতে হবে।
সময় এখন রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য সতের বছরের গনতন্ত্রহীন রাষ্ট্রে গনতান্ত্রিক পন্থায় জনগণের ভোটে নিবা'চীত সরকারকে সময় দিয়ে পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করা, যে কোনো গণবিরোধী, রাষ্ট্র বিরোধী কম'কান্ডে গনতান্ত্রিক পন্থায় প্রতিবাদ করা, গনতন্ত্রকে সুসংহত করতে নিবা'চনী রায় মেনে নিয়ে সরকারের সময়কাল শেষে জন রায়ের অপেক্ষায় থেকে গনতন্ত্রের সোন্দয্য' বজায় রাখা ।সরকার এবং তার দলের নেতা-কর্মীদেরও বিরোধীদলের মতামতের গুরুত্ব দিতে হবে, তাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।কারণ তিন ছয় মাস এক বছর পরপর দেশ অস্থিতিশীল করে সরকার পরিবর্তনের নিবা'চন দিয়ে নেতাদের ক্ষমতায় বসার খায়েশ মেটানোর এতো বড় ব্যয়ভার বহনের সক্ষমতা ঋণের ভারে ন্যুজ হয়ে পড়া রাষ্ট্রের এখন আর নাই।
No comments:
Post a Comment
Note: Only a member of this blog may post a comment.