অতি সম্প্রতি মাকি'ন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের দেশের কিছু ব্যাক্তির উপর মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাতে অনেকে একটু বেশি ই উচ্ছ্বসিত হয়েছেন আবার অনেকে একটু বেশি দুঃখীত হয়েও থাকতে পারেন । ভাই সকল এই অতি উচ্ছ্বসিত হ'বার যেমন কোনো কারণ দেখি না তেমনি অতি দুঃখীত হ'বার কোনো কারণ আমি অন্তত খুজে পাই না।
সত্যিকার মানবাধিকার লংঘনে দোষী করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ যদি করাই হতো তবে প্রথমেই ইজরায়েলের কতা' ব্যাক্তিদের করা হ'তো। যারা বিশ্বের একমাত্র উন্মুক্ত কারাগার পশ্চিম তীর ও গাজায় মানবেতর জীবনযাপনরত ফিলিস্তিনিদের উপর এমন কোনো অমানবিকতা, নিষ্ঠুরতা নাই যা চালাচ্ছে না আর আহত নিহত করা একেবারেই তাদের প্রাত্যহিক নিয়ম করে ফেলেছেন । শুধু তাই নয় মানবাধিকার আর গনতন্ত্র রক্ষার নামে ইরাক সিরিয়া আফগানিস্তানকে নরককুণ্ড বানানো ফ্রান্স যুক্তরাজ্য এবং খোদ যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবাজ নেতাদের কাঠগড়ায় দাড় করানো হ'তো। বাদ যেতো না মিসরের প্রেসিডেন্ট সিসি কাশ্মীরে অমানবিক অমানুষিক নিযা'তনের নাটের গুরু সহ ও অন্যান্য অনেক স্বৈর-শাসক।
আসল হচ্ছে আমেরিকার নিজস্ব স্বাথ’,তা বানিজ্যিক,সামরিক যেকোনো বিষয় হতে পারে। যখনি তার ব্যাতিক্রম তখনি যে দেশ যতো বেশি দূব'ল তার উপর ততো বেশি তারা খড়গ-হস্ত। ইজরাইলের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলেও কোনো দোষ নাই কিন্তু ইরানের তাতে চেস্টা করাও তার বড় অপরাধ।
আমাদের বুঝতে হবে,অতি আবেগ কিংবা চেতনা নয় বিবেক দিয়ে ভাবতে হবে। দেশকে ভালোবাসতে হবে, দেশের মানুষকে ভালোবাসতে হবে।কোনো জিঘাংসা নয় দেশের মানুষ প্রত্যেকে একে অপরকে সৌহাদ্দ' ও সহমমি'তা দিয়ে আকড়ে ধরতে হবে। দেশের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে বিদেশে বেগমপাড়া কিংবা দ্বিতীয় আবাস গড়ে পরবাসী হবার চেষ্টা থেকে বিরত থাকতে হবে। দেখতেই পেলাম অতি বাড়ন্ত মুরাদ হাসান দেশ থেকে দেশে পরিত্যজ্য হয়ে ফিরতে হয়েছে সেই নিজ জন্মভুমিতে।সুতরাং দেশ প্রেমিক হ'বার বাধ্যবাধকতার এর চাইতে জলন্ত উৎকৃষ্ট উদাহরণ আর কিছু ই নাই।
তাই আগামী "বিজয় দিবস " সামনে রেখে হাসান মুরাদ থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের শপথ হওক প্রথমে মানুষ এবং দেশ প্রেমিক হবার।
" আমার কথা " ডিসেম্বর-২০২৬ ইং
https://youtu.be/IQPUPWUqv48
No comments:
Post a Comment
Note: Only a member of this blog may post a comment.