Wednesday, March 18, 2026

কারা সে বংশীবাদক

আমরা অপরাধ দমন করতে বলি অপরাধ সংগঠিত হলে প্রশাসনের ব্যথ'তার কথা বলি আবার প্রশাসন মাঠে নামলে নিজেদের মত না হলে প্রতিবাদে  রাস্তায় নামি।আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল  করার প্রশিক্ষণ দেয়া হয় তাই অপারেশনে গেলে তাদের  আচরণ তেমন ই হবার কথা।ফসলের ক্ষেতের আগাছা পরিস্কার  করতে গেলে দু'চারটা ভালো ফসলের গাছও নষ্ট হয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও অপরাধ দমনের অপারেশনে গেলে অপরাধীর সাথে দু’একজন ভালো মানুষের উপর চড়াও হওয়া কোনো অস্বাভাবিক নয়। কৃষক ভাই  যেমন দুই’চারটা ভালো গাছ নষ্ট হলেও বাকি  ফসল ভালো থাকবে সে আশায় তার আগাছা পরিষ্কার বন্ধ করতে পারে না আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীরও অপরাধ নিয়ন্ত্রনের অপারেশন বন্ধ করবে ভাবা ঠিক নয়।
আমরা সত্যি বড় বিচিত্র জাতি। ঢাকা সহ সারা বাংলাদেশে অপরাধের আখড়া কোথায় কোন রাস্তার কোন গলিতে কম বেশি সবাই জানে।সন্ধ্যা দূরে থাক ভালো নিরীহ মানুষ দিনের বেলায়ও সব সময় সেই সব এলাকা এড়িয়ে চলেন।তেমনি ঢাকা শহরের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান যে ভালো না সবাই জানে। রাতে সেখানে যাবার ভালো কোন কারণ থাকতে পারে কি ? হাতুড়ি নিয়ে সেখানে যাবার উদ্দেশ্যও ভালো হবার কথা নয়।আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যে কোনো অনুসন্ধানী প্রশ্ন শুনে  আমরা উগ্রতা দেখাচ্ছি কথায় কথায় তাদের জুলাই আন্দোলনের কথা বলে তাদের উপর চড়াও হতে চেষ্টা করছি।আমরা অবাক বিস্ময়ে হতবাক হয়ে আমাদেরই সন্তান যাদের শিক্ষা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়েছি আমাদের সেই সন্তানেরা রাতে তাদের সহপাঠিদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হেনস্থা করার অজুহাতে অশ্রাব্য অশালীন শ্লোগান তুলে মাদক নিয়ন্ত্রন ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নেতৃত্বদানকারী অফিসারের অপসারনের দাবীতে পড়াশুনা রেখে থানায় জড়ো হতে দেখেছি। শোনা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী মাদকাসক্ত এবং প্রশাসন মাঠে নামলেই তখন নানা অজুহাতে তাদেরই কাছ থেকে আসে প্রতিবাদ।
সময় এসেছে অবিভাবকদের  তাদের সন্তানকে শুধু পড়াশুনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠালে হবে না ।মাসে মাসে তার খরছের জন্য রক্ত-ঘাম পানি করা টাকা পাঠালেই হবে না।তারা সাবালক হয়েছে তারা ভালোমন্দ বোঝে ভাবলে হবে না।তাদের এখন খোজ-খবর রাখা অতি জরুরী হয়ে পড়েছে।তাদের রাস্তায় নয় রাতে কোনো অপরাধপ্রবন এলাকায় নয় তাদের পড়ার টেবিলে থাকা নিশ্চিত করতে হবে। বিভিন্ন মিডিয়ায় আমাদের অনেক সন্তানদের নিয়ে কথা উঠছে তাদের অনেকের  অশ্লিল বক্তব্যের ভিডিও, অশ্রাব্য শ্লোগানের প্ল্যাকাড’ হাতে ছবি পত্রিকা-সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে আছে। আমরা অবিভাবক হিসাবে দেশের ভবিষৎ প্রজন্মকে ধংসের হাত থেকে বাচানো জন্য সেই সন্তানদের দিয়ে সংশোধনের সুচনা করতে পারি। যদি আমরা পারবারিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে না পারি শুধু প্রশাসন দিয়ে সব জঞ্জাল সরানো যাবে না  সব, সমস্যার সমাধান আশা করা যাবে না। রাজনৈতিক নেতাদের ও দায়িত্ব আছে ক্ষমতায় যেতে আর ক্ষমতা আকড়ে বসে থাকতে ছাত্র শিক্ষকদের নোংরা রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে হবে। দেশের উন্নয়নের জন্য জাতির ভবিষৎ কান্ডারীদের বাচাতে হবে।  
গুনীজনদের অভিমত এখন একটা জাতিকে ধংস করতে যুদ্ধের প্রয়োজন নাই , প্রয়োজন নাই দেশ দখলের  তার শিক্ষা-সংস্কৃতি ধংস করতে হবে,সমাজকে মাদক ব্যাভিচারে ডুবিয়ে দিতে হবে।চারিদিকে তাকালে তার ছড়াছড়ি কল্পনার চাইতেও অনেক বেশি। গত দেড় দশকে শিক্ষাকে নিয়ে কাটা-ছেড়া পোষ্টমটে’ম করে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে ছাত্র-শিক্ষকদের হাতিয়ার বানিয়ে শিক্ষাকে ধংস করা হয়েছে।ছাত্ররা আজ অটোপাশের জন্য আন্দোলন করে, শিক্ষককে বহিস্কারের জন্য আন্দোলন করে । ছাত্ররা এখন পড়ার টেবিলে নাই, লাইব্রেরিতে নাই। ছাত্র-জনতার জুলাই বিপ্লবের পর কিছু অনৈতিক সুবিধা দিয়ে কিছু ছাত্রনেতাদের  বিপথগামী করে ধন সম্পদের মালিক বানানো হয়েছে ।তাদের দেখিয়ে অন্যদের মাঝেও নেতা হবার উদগ্র বাসনা জাগিয়ে দেয়া হয়েছে। চারিদিকে তাকিয়ে আজ কেন জানি আশংকা জাগে কাদের ষড়যন্ত্রে আমাদের এই সোনার ছেলেরা পড়াশুনার টেবিলে না বসে,  ক্লাসে না গিয়ে রাস্তায় নামছে, কথায় কথায় মব তৈরি করছে। তারা কোথায় থাকে কোথায় খায় ? শিক্ষককে অপমান করছে যাকে তাকে ট্যাগ দিয়ে অপদস্ত করছে, আইন হাতে নিয়ে অরাজক অবস্থা তৈরি করছে। আমাদের সোনার ছেলে-মেয়েদের ভবিষৎ,তাদের স্বপ্নকে ধংস করছে দেশের ভবিষৎ কান্ডারীদের ধংস করছে জানতে চাই কারা  সে বংশীবাদক কে পারবে এদের অগ্রযাত্রা করতে পথরোধ ?

ভয় তাড়ানোর গান

আন্ত’জাতিক আইন-কানুনের প্রতি বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে সব’শক্তিতে আমেরিকা-ইজরাইল যৌথভাবে ইরানে আক্রমণ করা এবং ইরান তার প্রতিঘাত দিতে শুরু করায় আরব-পারস্য এলাকা আজ রণক্ষেত্র।তেলের বাজার উদ্ধ’মূখীতে গোটা বিশ্ব অথ’নীতি আজ টালমাটাল।দিন বৃহদ শক্তিশালী দেশের কাছে ছোট দূব’ল দেশ গুলির নিরাপত্বা হুমকীর সম্মুখীন। বৈদেশিক মুদ্রা যোগানদাতা আমাদের লক্ষ লক্ষ ভায়েরা মা-বাবা,স্ত্রী-সন্তান আপনজন বিহীন চরম বিপদের মাঝে আটকে পড়েছে। এমনি শংকটময় মুহুত্তে’ দেড় দশক পর গনতান্ত্রিকভাবে নিবা’চীত সরকার ক্ষমতায়। জুলাই বিপ্লবের পর অগনতান্ত্রিক পন্থা থেকে বেড়িয়ে গন রায়ের মাধ্যমে গনতান্ত্রিক ভাবে জনগনের ভোটে নিবা'চীত নতুন সরকার ক্ষমতায় বসতে না বসতে আমাদের কেউ কেউ আর একটা জুলাই বিপ্লবের ডাক দিচ্ছে, কেউ আবার এক সেকেন্ড ক্ষমতাইয় শান্তিতে থাকতে না দেবার ঘোষণা দিচ্ছে। এখন কথায় কথায় নতুন নতুন ইস্যু তৈরী করে রাস্তায় নেমে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। ইরানের মতো সরকারকে বিব্রত করতে কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নের আমাদের কেউ মাসে’নারির ভুমিকা পালন  করছি কিনা ভাবতে হবে।

আমরা নিবা’চনের বাজারে দেশের কিছু এমপি হতে চাওয়া নেতা এবং তাদের অনুসারী কমী’দের  অনাকংখিত অতি উচ্চ স্বরে অতিবিচ্ছিরি অতি কদয’ অতি শ্রুতিকটু বচন শুনেছি এবং অতিদৃষ্টিকটু অঙ্গ-ভঙ্গী দেখেছি । তাদের অনেকেই জনরায় না পেয়ে  নিবা’চনে হেরেছেন। এখন তাদের নতুন বাহানা সেই লেজ কাটা শেয়ালের মতো। নিজেরা সংসদে যেতে না পারায় অন্যরাও যেন সংসদে না বসে তাই জোরে শোরে নিবা’চনে ইঞ্জিনিয়ারিং হওয়ার ধোয়া তুলে বিশাল বিজ্ঞ আইনজ্ঞ হয়ে কুটচালের নসিহত দিয়ে হাক-ডাক দিয়ে রাস্তা গরম করতে  চাইছেন। দলের শীষ’ নেতারা যারা সংসদে গেছেন তাদের কাউকেই কিন্তু উল্টা-পাল্টা কথা বলা দলের হারূ নেতা এবং তাদের অনুসারী কমী’দের লাগাম টানতে দেখছি না।তাতে ধরে নেয়া যায় তাদেরও সায় আছে।  অন্যদিকে এতোদিন যারা হাদির এখনই বিচারের দাবীতে যখন তখন রাস্তায় নেমে সদ্য গঠিত সরকারকে পারলে এখনি ফেলে দিতে চাইছিল,ভারতে সেই খুনীরা ধরা পড়া এবং সরকার তাদের দেশে আনার  খবরে তারা যেন আশাহত শংকিত ।

মাঝে মাঝে বড় বেশি স্মৃতিকাতর হয়ে পড়ি।সত্তুরের আগের কথা। খুলনার বানিয়াখামারে বাড়ির সামনের রাস্তা  কাচামাটির  এবং এলাকাটিতে  তখন তেমন  জনবসতি ছিল না। রাস্তার দু’পাশে ঘন কাটাবনের  জঙ্গল। তার পাশে একটি  বিশাল বড় শীল কড়ই গাছ ।পাশে খালি ছোট এক টুকরা মাঠ পাশ দিয়ে বয়ে চলা খাল জোয়ার-ভাটায় পানি আশা যাওয়া করে। সেই শীল কড়ই  গাছের গভীর ছায়ায় ভড় দুপুরেও তার  নীচে রাতের মতো অনুভূত হত ভয় লাগতো।বিদ্যুৎ ছিল না।রাতে পরিবার গুলি কেরোসিনের কুপি বাতি বা হারিকেন বাতির  উপর নির্ভর ছিল।অন্ধকার রাতে ভয়ংকর মনে হওয়ায় রাস্তায় চলাচল করা কঠিন ছিল। ঘড়ের পশ্চীমের জানালা খুললে দেখা যেত শীল কড়ই গাছ । ভাই-বোন সবাই ভয় পেতাম তাই সন্ধ্যা না হতে জানালা বন্ধ রাখা হতো। সন্ধ্যার পর রাস্তা  দিয়ে ঘড়ে ফেরা দ্রুত ধাবমান কারো না কারো যাওয়ার সময় প্রতিদিনই ঘড়ে বসেই অতি উচ্চস্বরে  অসংলগ্ন বেসুরো গলার গান শুনতে পেতাম। কৌতূহলী হয়ে কেন তারা এমন ভাবে গান গায় একবার মা এর কাছে জানতে চেয়েছিলাম । তিনি বলেছিলেন যে তারা  অন্ধকারের মধ্য দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ভীষণ ভয়ে থাকে  আর সেই ভয় মন থেকে তাড়াতেই উচ্চ স্বরে তাদের ভয় তাড়ানোর গান গাওয়া। তিনি অনেক আগে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, তার সে কথা এত বছর পরও আমার মনে রয়ে গেছে।

আজ বিভিন্ন নেতা-কমী’ তাদের অনুসারীদের বচন-বাচন হাক-ডাক শুনে  অনেক আগের সেই বিশাল বড় শীল কড়ই  গাছ পার  হতে থাকা ভীত ধাবমান পথচারীদের ভয় তাড়ানো গানের কথা মনে পড়ছে। কারণ হাদীর খুনী ধরা পড়ছে না কেন তার বিচার নিশ্চিত করছে না কেন , বিএনপির একজন প্রবীন নেতাকে সেই খুনের আসামী করে তাকে চাদাবাজ বলে তিরস্কার করতে করতে তাকে মৃত্যুর মুখে দাড় করিয়ে ক্ষান্ত দেয় নাই।এখন তার মৃত্যুও কামনা করছে।সেই হাদী খুনের আসামী যখন ভারতে ধরা পড়েছে এবং সরকার যখন তাকে আনার চেষ্টা করছে তখন আবার আওয়াজ তুলছে বহুল আলোচিত জজমিয়া নাটক নতুন করে সাজিয়ে সরকার তাদের অনেক নেতাকে আটকাতে পারে। প্রশ্ন জাগতেই পারে এরা কি নিজেদের কোন অনৈতিক কম’কান্ডের কারণে মনে মনে ভয় পাচ্ছে, তারা কি কোনো না কোনো ভাবে কোনো অপরাধে জড়িত থাকায় নিজেদের অপরাধী ভাবছে? ভয় তাড়ানোর জন্য তারা কি উচ্চস্বরে, অস্বাভাবিক অশালীন শব্দ চয়ন করে  তাদের ভেতরের সেই উদ্বেগ সেই ভয় গুলিকে ভুলে থাকবার  চেষ্টা করছে?

আমরা এখন আর  কেউ কমী' অনুসারী কিংবা দশ'ক নয় সবাই এখন নেতা হ'তে চাই।বিগত দেড় দশকের ফ্যাসিষ্ট সরকারের নেতা কমী’ এবং জুলাই বিপ্লবের কিছু নেতা কমী’দের অবস্থা দেখে সবাই এখন ধরেই নিয়েছে নেতা  হওয়া মানেই অতিদ্রুত  গাড়ি -বাড়ির মালিক, নিশ্চিত কোটিপতি। জন-মানুষের প্রকৃত নেতা হতে হলে নিজেকে আগে পরিশুদ্ধ করতে হবে ভাবি না। নিজেকে অন্যদের থেকে যোগ্য হতে  হবে ভাবি না।নেতা হতে হলে নম্র-ভদ্র বিনয়ের সাথে  সম্মান দিতে এবং সম্মান নিতে শিখতে হয়, মাটি ও মানুষের ভালোবাসা পাইতে হয় ভাবতে চাই না।অশ্লীল অশালীন আচার-আচরণ করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত ভদ্রতা -নম্রতা, শালীনতার আবহ নষ্ট করে নেতা হবার নয়,নেতা হতে হলে ধৈয্য' লাগবে,ত্যাগ-তিতিক্ষার আছে প্রয়োজন।মব তৈরি করে, উচ্চস্বরে চার হাত পা ছুড়ে আস্ফালন  করে হাস্যরসের যোগান দিয়ে কিছু মানুষের উচ্ছ্বাস, শীৎকার আর  হাত তালিতে নেতা হওয়া সম্ভব হলে, রাস্তার  ফুটপাতে দাঁড়িয়ে যারা চুলকানির মলম বিক্রি করে তারা কি হতে পারে না যোগ্য নেতা?

আমরা ইতিমধ্যেই বায়ু দূষণ, পানি দূষণ এবং শব্দ দূষণের যথেষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছি। এখন, মনে হচ্ছে দেশ আর একটি নতুন ধারার দূষণের মুখোমুখি শ্লেষ-বিদ্বেষ,অশ্লিল শব্দবানে।এটি মনের দূষণ বাড়িয়ে , অবিশ্বাস  এবং অনিবায’ একের সাথে অন্যের বিরোধ সংঘাতের আগমণকে স্বাগত  জানাচ্ছে। দেশের স্বার্থে এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের কল্যাণের জন্য, আমাদের সকলকে ঐক্য এবং সম্প্রীতির গুরুত্ব স্বীকার করতে হবে।আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আইনকে তার আপন পথে নিদ্দি’ষ্ট  গন্তব্যে পৌছানোর সহায়তা করতে হবে। নিজের ভয় তাড়াতে  শব্দ দূষন,পরিবেশ  দূষন না করে  সামাজিক ভ্রাতৃত্ব বন্ধন অটূট রাখতে অতি কদয’ অতি শ্রুতিকটু বচন একে অন্যের প্রতি ছোড়া-ছুড়ি বন্ধ করতে হবে। কথায় আছে বন্দুকের গুলি আর কথার বুলি একবার বের হলে তা আর ফিরে আসে না। আসুন শালীন অশালীন বোঝার চেষ্টা করে আমরা একটু ভদ্র হবার চেষ্টা করি।অকস্মাৎ  রাত না পোহাতে শ্রদ্ধাহীন ভালোবাসাহীন ঘৃণা আর আতংকের দানব হওয়া যায়, জোকার, ভিলেন হওয়া যায় কিন্তু জন-মানুষের  শ্রদ্ধার পাত্র, প্রাণের নেতা  হওয়া যায় নারে পাগলা। তবুও কেন জানি  চারিদিকে দেখি  বসেছে পাগলের মেলা।এমন লক্ষণে বারবার প্রতারিত হয়ে দেশের  ভবিষ্যত ভাল হবে  আর যে ভাবতে পারি না। 

 https://www.youtube.com/channel/UCO9Em15PgixJY8mgVh78rjA